বিড়ালের সংস্পর্শ… মস্তিষ্কে লুকানো প্রভাব?

সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে বিড়ালের ঘন ঘন সংস্পর্শে থাকা স্কিজোফ্রেনিয়ার মতো মানসিক সমস্যার ঝুঁকি সামান্য বাড়াতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে এই সম্ভাব্য সম্পর্কের পেছনে থাকতে পারে টক্সোপ্লাজমা গন্ডি নামের একটি পরজীবী, যা অনেক বিড়ালের শরীরে পাওয়া যায় এবং মল বা সংক্রমিত পৃষ্ঠের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। ধারণা করা হয়, এই পরজীবী মস্তিষ্কের রাসায়নিক ক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা পরিষ্কারভাবে জানাচ্ছেন—এখনও পর্যন্ত কোনও গবেষণাই প্রমাণ করেনি যে বিড়াল সরাসরি স্কিজোফ্রেনিয়ার কারণ। বিভিন্ন গবেষণায় ফলাফল একরকম নয় এবং অনেক বড় গবেষণায় সম্পর্কটিও স্পষ্ট পাওয়া যায়নি।

গবেষকরা বলছেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য পর্যবেক্ষণভিত্তিক, তাই কারণ–ফল নির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়। তবুও, যারা বিড়াল পোষেন, তাদের জন্য সাধারণ পরিচ্ছন্নতা অভ্যাস—যেমন লিটার বক্স পরিষ্কার করার পর হাত ধোয়া, বিড়ালের স্বাস্থ্য নিয়মিত দেখভাল করা, এবং বাড়িতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা—সম্ভাব্য ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। সার্বিকভাবে, মানসিক স্বাস্থ্য বহু পরিবেশগত ও জৈবিক উপাদানের দ্বারা প্রভাবিত হয়, এবং বিড়ালের সংস্পর্শ সেই বহুবিধ উপাদানের মধ্যে একটি মাত্র, যার ওপর গবেষণা এখনও চলছে